বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে অফিসার ক্যাডেট এ যোগদিন ২০২০
https://joinairforce.baf.mil.bd/apply এ ক্লিক করুন।
মেডিক্যাল টিম প্রস্তুত রেখে জরুরি সেবা দিচ্ছে বিমানবাহিনী
নিউজ ডেস্ক |
ঢাকা: প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় সেনাবাহিনী-নৌবাহিনীর পাশাপাশি কাজ করছে বিমানবাহিনীও। জরুরি বিমান পরিবহন এবং মেডিক্যাল ইভাকুয়েশন সহায়তা দিচ্ছে তারা। একইসঙ্গে চিকিৎসা সহায়তায় একটি মেডিক্যাল টিমও প্রস্তুত রেখেছে বিমানবাহিনী।
বুধবার (২৫ মার্চ) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় সরকার সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এ হিসেবে দেশের প্রত্যেক ঘাঁটিতে ইতোমধ্যেই ‘করোনা সমন্বয় ও মনিটরিং সেল’ স্থাপন করেছে বিমানবাহিনী।
php glass
এছাড়া ভাইরাসটি প্রতিরোধে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর পাশাপাশি বিমানবাহিনীও কাজ করছে। জরুরি বিমান পরিবহন এবং মেডিক্যাল ইভাকুয়েশন সহায়তা দিচ্ছে। একইসঙ্গে চিকিৎসা সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে একটি মেডিক্যাল টিমও প্রস্তুত রেখেছেন বিমানবাহিনীর সদস্যরা; যারা যেকোনো প্রয়োজনে সশস্ত্র বাহিনীর মেডিক্যাল টিমের সঙ্গে সমন্বিতভাবে সেবা দেবেন।
আইএসপিআর জানায়, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে ঢাকার হাজি ক্যাম্পে কোয়ারেন্টিনে থাকা বিদেশফেরতদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করছেন বিমানসেনারা। এছাড়া মাঠপর্যায়েও সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, পুলিশ ও অন্যান্য সংস্থার পাশাপাশি বিমানবাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। তারা জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ, হোম কোয়ারেন্টিন ও চিকিৎসা বহরগুলোতে আইসোলেশন ওয়ার্ড নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করছেন।
বাংলাদেশ সময়: ২২০৯ ঘণ্টা, মার্চ ২৫, ২০২০
কোথায় দেশের ধনী মানুষ গুলি??
খুব_জানতে_ইচ্ছা_#করতেছে,
কোথায় অাছেন এবং কেমন অাছেন দেশের ধনীরা?
প্রিন্স মূসা বিন শমসের?
যাকে বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানি
বাণিজ্যের অগ্রদূত বলা হয়।
প্রায় ৯৫০ মিলিয়ন ডলারের মালিক।
সালমান এফ রহমানঃ
বেক্সিমকো গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মালিক।
তিনি প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ডলারের মালিক।
আহমেদ আকবর সোবহানঃ
তিনি হচ্ছেন বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মালিক।
তিনি প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ডলারের মালিক।
এম এ হাশেমঃ
তিনি পারটেক্স গ্রুপ ও ইউসিবিএল ব্যাংকের চেয়ারম্যান। তিনি প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলারের মালিক।
আজম জে চৌধুরীঃ
তিনি ইস্ট-কোস্ট গ্রুপের মালিক, প্রাইম ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্টের সোল এজেন্ট। তিনি প্রায় ৪১০ মিলিয়ন ডলারের মালিক।
গিয়াস উদ্দিন আল মামুনঃ
রিয়েল স্টেট, হোটেল ও মিডিয়া ব্যবসায়ী।
রাগিব আলীঃ
তিনি চা উৎপাদন ব্যাবসায় সফল একজন ব্যাবসায়ী। তিনি সাউথ ইস্ট ব্যাংকের চেয়ারম্যান। তিনি প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলারের মালিক।
শামসুদ্দিন খানঃ
তিনি একে খান এন্ড কোম্পানি লিঃ-এর চেয়ারম্যান এবং ডিরেক্টর। তিনিও প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলারের মালিক।
ঈকবাল আহমেদঃ তিনি সিলেটের একজন ব্যাবসায়ী। সামুদ্রিক খাবার ব্যবসায় তিনি সফল। তিনি সীমার্ক গ্রুপ লিবকো ব্রাদার লিঃ-এর চেয়ারম্যান এবং ডিরেক্টর। তিনি প্রায় ২৫০-২৯০ মিলিয়ন ডলারের মালিক।
সাইফুল ইসলাম কামালঃ
তিনি নাভানা লিঃ ও নাভানা সিএনজি লিঃ-এর চেয়ারম্যান এবং ডিরেক্টর। তিনিও প্রায় ২৯০ মিলিয়ন ডলারের মালিক।
খুব জানতে ইচ্ছা করতেছে,
দেশের এই ক্রান্তিকালে অাপনারা কি করতেছে?
অাপনারা সরকারকে হেল্প করছেন তো?
দেশের এই বিপদের দিনে আলীবাবা কে কেন আগাইতে হয়?
শুনতেছি,
দেশে ডাক্তারদের পিপিই এর সংকট,মাস্কের সংকট, কীটের সংকট।
আরো আছে,
যমুনা, মেঘনা,ডেকো, আবুল খায়ের, আকিজ, ডিবিএইচ, পিএসপি, প্রাণ, আরএফএল, ইফাদ, উত্তরা, এসিআই, আরো অনেক গ্রুপের নাম আছে।
দেশের দূর্নীতিবাজ এমপি মন্ত্রী গুলা কি করছেন??
যারা দূর্নীতে নোবেল পেয়ে পোস্ট হারাইছেন,এতো টাকা পাপীয়াদের পিছনে খরচ না করে এখন একটু জনগনের পিছনে খরচ করুন।
কিন্তু অাপনারা কি করতেছেন?
ড্যাটকো গ্রুপ,
স্কয়ার,
বসুন্ধরা,
যমুনা,
বেক্সিমকো গ্রুপরা কই?
ওয়ালটন যে দেশের আবেগ নিয়ে
প্রোডাক্ট বিক্রি করেছে, তারা কই?
অাছেন তো ভাই?
নাকি বউ বাচ্চা নিয়ে বড় পর্দায় হরর মুভি দেখতেছেন?
নাকি নিম্নমধ্যবিত্ত শ্রেনীর মানুষগুলোর
অভাব বুঝার চেষ্টা করতেছেন?
রাস্তায় এখন দুই টাকার পুলিশ,
অার হাসপাতালে কসাই নামক ডাক্টার গুলো।
যুদ্ধ কারা করতেছে?
কারা সবার অাগে লড়ে যাচ্ছে?
যান তো একটু!
হাসপাতাল ভিজিট করে অাসেন।
সাহসে কুলায় অাপনাদের?
সারাজীবন যাদেরকে
তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেন,
তারাই এখন বুক ফুলিয়ে
সবার সমানে এসে দাঁড়িয়েছে।
কেউ নিজের জীবন মায়া ত্যাগ করে
রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে ঘুরে বলতেছে,
"অাপনারা বাসায় অবস্থান করেন,
নিরাপদে থাকেন!
অার কসাই নামক মানুষ গুলো
অাপনাকে প্লেকার্ড দেখিয়ে বলতেছে,
"অামি অাপনার জন্য হাসপাতালে,
অাপনি অামার জন্য বাসায় থাকুন"
অার অাপনারা কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে
বাসায় হাত গুটিয়ে বসে অাছেন! ছি!
সাহস করে বলেন,
অাগামী একমাস স্থানীয় সরকারকে সাথে নিয়ে,
অামার প্রতিষ্টান থেকে, প্রশাসনের সহায়তায়,অামরা
সু পরিকল্পিত ভাবে, অাপনাদেরকে খাদ্য সামগ্রী পাঠাবো। তবেই না বুঝতাম অাপনারা ধনী।
যদি তা না পারেন,
তারপরেও একটু সাড়া শব্দ দিবেন।
তাহলেই অামরা বুঝবো যে অাপনারা বেঁচে অাছেন।
এগিয়ে আসুন মানবতার সেবায়, আপনাদের মানুষ আজীবন মনে রাখবে।
হৃদয়ে বাংলাদেশ ফেসবুক পেজ থেকে থারণকৃত।
আচ্চা একটা কথা নিয়া খুব চুলকানি চলছে।কথাটা হচ্চে বিদেশিদের নিয়ে।
আচ্চা যারা বাহিরে থাকেন ভাইয়েরা শুনেন আমরাও বাংলাদেশে জন্মাইছি আপনারাও বাংলাদেশেই জন্মাইছেন।আপনারা বিদেশে কষ্ট করে বাংলাদেশে রেমিটেন্স পাঠান ওটা দিয়ে বাংলাদেশ চলে মেনে নিলাম।এখন কথা হচ্চে ভাই।আপনারা এত পুন্দাপুন্দি কেনো করেন বুঝি না।আপনারা যে রেমিটেন্স পাঠান সেটা কি সরকার নিজের হোগায় ভরে। নাকি আপনার পরিবার টাকা পায় না।আপনার পরিবার এর জন্য আপনি গেছে দেশের জন্য গেছেন।মাদারচুদ মর্কা কথাবার্তা ভাই।আপনাদের তো আমরা সব সময় রেসপেক্ট করি।আপনার তাহলে এত পোন্দাপোন্দি করেন কেন ভাই।সবসময় আমরা বলি ওই ভাইয়েরা আমার দ্বায়িত্ব যোদ্বা যারা প্রতিদিন আমাদের জন্য যোদ্ধ করে।আর মাস শেষে রেমিটেন্স পাঠায়।কারো চোখেতো আপনাদের জন্য কোন রাগ দেখি নাই বরং ভালোবাসাটাই দেখছি।বাট আপনারা।খালি খোচা মারেন কেন ভাই।জন্ম তো এই দেশে হয়া গেছেন তাই না।এমন তো না দেশেকে বাচাতে বিদেশ চলে গেছেন। বাল
আর আপনারা জানেন করনা ভাইরাসটা বিষয়ে।এটা কতটুকু মারাত্বক।তো আপনাদের উচিত যে যার দেশে আছে সেখানে থেকে দেশকে প্রটেক্ট করা সবাইকে এলার্ট করা।সবাইকে সচেতন করা।তা না করে কি করতাছেন।উল্টা হোগায় বাশ মাইরা দিচ্ছেন।একটা বার চিন্তা করছে চায়না, ইতালি, কানাডার মতো দেশগুলারে পুরা শুয়াই দিসে আর বাংলাদেশে যদি একবার ভরতে শুরু করে পুরা অর্ধেক খালি করে ফেলবে।আর আপনারা সেইটাই চাচ্ছেন।আপনাদের উচিত নিজে সেইফ থেকে বাকি সবাইকে সেইফ থাকা।আর আপনারা নিজে যদি একটু হোগামারা খায়া আইছে ওই একটু হোগামারা দিয়া পুরা দেশকে হোগা মাইরা দিতাছেন।কিচ্ছু বল্লে বলেন তোদের দেশ আমরা চালাই।এই সাউয়ার কথাটা কেন বলেন।কেন দেশ কি আপনার বাপের নাকি যে আপনি চালান।আপনার ফেমেলিও থাকে এই দেশে এত কথা বলেন রেমিটেন্স বন্ধ করে দিবেন।আপনার ফ্যেসিলিরে নিয়া যান।রেমিটেন্স দিয়া কি করে সরকারে আপনার ফ্যেমিলি যাতে ভালো থাকে সেই ব্যেবস্তা করে।
শুনেন ভাইয়া আপনাদের সম্মান এই দেশে অলটাইম সবার উপরে। শেখ হাসিনারও উপরে কারন শেখ হাসিনা আমরা, পুরা বাংলাদেশ আপনাদের রেমিটেন্স মানে দেশের আয়ের ৮৫% আপনারা যোগান। যেটা দিয়ে আমরা চলি।আমরা সবসময় আপনাদের রেসপেক্ট করি।তো ভাই আপনারা কি পরেন না আপনার পরিবারের যাতে করনা নামক অভিশাপ টার ছোয়া না লাগে।আপনারা কি পারেন না আপনার চাচা বড় ভাই ছোটভাই,বন্বু বান্ধব পাড়া প্রতিবেশি সবাই ভালো থাকুক।কেন এমন করাতাছেন ভাইয়া।যানেন তো বাংগালির স্ভবাব।আপনারা তো ভালো বুঝেন বাংগালির চাইতে তো আপনারা কেনো এমন করেন।
ভাই এখন সময় হচ্চে সবাই মিলে এই ভাইরাস টাকে দূর করা।যে কোন সমস্যা না হয়।দয়া করে ভায়েরা আপনারা সেফ থাকেন নিজের পরিবারটাকে সেফ রাখার চেষ্টা করেন।কারন আপনি ওই দেশে পরিবারকে ছেরে গেছেন এই পরিবারটাকে ভালো রাখার জন্য।সো একটু ঠান্ডা মাথায় ভাবেন।
আরপুন্দাপুন্দি খোচামারা কথাবার্তা বলিয়েন না।কারন উত্তর আপনার কাছেই আছে।বাংলাদেশে বিদেশিরাই এইটা নিয়া আসছে।বাংগালিরা আনে নাই।
দোষটা বিদেশ ফিরত ভাইদের ওনারা সচেতন ছিলো না যার কারনে এটা হয়েছে।একট ভুলের কারনে এখন পুরা দেশ ভুগছে।
চীনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মামলা করবে ৮৫টি
দেশ। বর্তমানে প্রায় ১৩৫টির বেশি দেশে করোনা
ভাইরাস ছরিয়েছে। করোনা বাদুর কিংবা
খাদ্যঅভ্যাস থেকে ছড়ায়নি, এটা চীনের জৈব
রাসায়নিক অস্ত্র। চীনের রাসায়নিক ল্যাবরেটরি
থেকে ইচ্ছা করে চীন সমগ্র পৃথিবীতে ছড়িয়েছে
এই ভাইরাস, এমনি চীনের কাছে এর
প্রতিষোধকও রয়েছে। বিষয়টি আন্তর্জাতিক
অপরাধে মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং আন্তর্জাতিক
আইনের পরিপন্থী এবং বিশ্বব্যাপী গনহত্যা। জৈব
রাসায়নিক অস্ত্রের নেতিবাচক ব্যাবহার হিসাবে
চীনের বিরুদ্ধে মোট ৮৫টি দেশ মামলা করার
ঘোষনা দিয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
চীন চাচ্ছে আগামী ২০৩০ সাল থেকে সারাবিশ্বে
তারা নেতৃত্ব দেবে, সেজন্যই তারা জৈব রাসায়নিক
অস্ত্র হিসাবে বিভিন্ন ভাইরাসের চাষ করে
আসছিলো তাদের ল্যাবে। করোনা তার ভিতরে
অন্যতম। চীন করোনা ভাইরাসের ধংশলীলার
পরিক্ষা নিলো এবং পরিপূর্ণ ভাবে সফল হল।
একমাত্র উত্তর কোরিয়া ছাড়া কোনো দেশই
চীনদের ষড়যন্ত্র বুঝতে পারলো না।
উত্তর কোরিয়া আক্রন্ত ১১জনকে গুলি করে হত্যা
করে দেশ করোনা মুক্ত রাখছে, এবং বিশেষ
গবেষনা করে জানতে পারলো এটা খাদ্যঅভ্যাসের
কারনে হয়নি তাই কিম জং উন প্রথমেই চীনের
বিরুদ্ধে মামলার ঘোষনা দিয়েছে এরপর ৮৪টি
দেশ তাদের সাথে যুক্ত হয়েছে। চীন খুব দ্রুত
করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তি পাচ্ছে। একের পর
এক অস্থায়ী হাসপাতাল বন্ধ করছে। উহানে নতুন
করে মাত্র একজনের সংক্রমণ ঘটেছে। গোটা চিনে
মাত্র ১৩ জন..বেশ অবাক লাগছে না ভাবতে??
মনে হচ্ছে না এটা কি ভাবে সম্ভব?? আর একটু
অবাক হবেন এটা জানলে যে একের পর এক
বিদেশী মিডিয়া ওয়াশিংটন পোস্ট, নিউ ইয়র্ক
টাইমস, দা গার্ডিয়ান সহ আরো অনেক দেশের
মিডিয়াকে দেশ থেকে বেড় করে দিচ্ছে
যাতে তারা চীনের কোনো খবরই না করতে পারে।
অন্যদিকে ইতালি, ব্রিটেন, ফ্রান্স, আমেরিকা, ইরান
ক্রমশঃ ভয়াবহ স্টেজে পৌঁছাচ্ছে। আমেরিকা,
ইউরোপের স্টক মার্কেট ও ক্র্যাশ করে গেছে। বিশ্ব
জুড়ে এক ভয়াবহ পরিস্থিতি। অথচ একটু চাইনিজ
মিডিয়াগুলো ফলো করুন দেখবেন কি দারুন দৃশ্য। সবাই মাস্ক খুলে ফেলছে, একে অপরকে
জড়িয়ে ধরছে, হিরোদের মতো ওয়েলকাম হচ্ছে
সবার সাথে। বেশ অবাক লাগছে না দেখে??
এত বড়ো ক্রাইসিস অথচ এত ফাস্ট রিকভারি?
শেয়ার মার্কেট থেকে কার্রেনসি ড্রপ কোনো
কিছুতেই আঘাত লাগলো না। এতোই উন্নত ষোলো
খানা হাসপাতাল রাতারাতি তৈরী হয়ে গেলো?
আপনি বিশ্বাস করেন এসবের জন্য কোনো
প্রিপারেশন ছিলো না তাদের কাছে?? ২০০০০০ করোনা ভাইরাস ইনফেক্টেড থেকে ০ ইনফেক্টেড। সব হাসপাতাল রাতারাতি উবে গেলো। সবাই
আনন্দে মাতোয়ারা। প্রেসিডেন্ট কি সুন্দর মৌনব্রত
পালন করলো, দারুন লাগছে না শুনতে??
পুরো যেন সিনেমার মতো সাজানো। সন্দেহ জাগে
সবটা সত্যি সাজানো নয় তো? নিজের ঘর কিছুটা
পুড়িয়ে বিশ্ব কে জ্বালিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত নয়
তো?? বিশ্বকে ভয়ানক বিপদের মুখে ঠেলে দিয়ে
নিজে অধীশ্বর হবার চক্রান্ত নয় তো??
শুনেছিলাম লংকা পোড়াতে গিয়ে হনুমান নিজের
ল্যাজে আগুন লাগিয়ে ছিলো। উহান হনুমানের
ল্যাজের মতো ব্যবহার হলো না তো?? যদি চীনাদের লাইফ স্টাইল বা খাদ্যাভ্যাস দেখা যায়
তাহলে বোঝা যায় খুব সহজেই যে তারা কতটা
নিষ্ঠুর, কতটা হিংস্র তারা?
তারা পারে না এমন কোনো কাজ নেই। যদি সত্যিই
বিশ্বের অধীশ্বর হবার জন্য এই ভাইরাসকে চীন
হাতিয়ার করে থাকে তাহলে অবাক হবার কিছু
থাকবে না। সত্যিটা হয়তো খুব তাড়াতাড়ি
বেরোবে, কিন্তু তখন বিশ্বের মেরুদন্ড থাকবে তো
চীনের সামনে দাঁড়ানোর জন্য??
এখনই উচিত গোটা বিশ্বের এক হওয়া, চীনকে
বিশ্ব জুড়ে বয়কট করা। বিশ্বের সমস্ত দেশের
আর্থিক ক্ষতির ক্ষতিপূরণ উসুল করার জন্য চীন
কে অর্থনৈতিক অবরোধ এর আওতায় আনা।। 😓
(মনোযোগ দিয়ে পড়ুন) করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে যা করতেই হবে আমাদের , যার কোন দ্বিতীয় উপায় নেই- ( ইতালি যা ভুল করেছে , আমরা যেন ভুলেও না করি ।
ইতালির অবস্থা খুব খারাপ। কবর দেওয়ার লোক পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে না। ইতালিতে এক একদিনে আজ আটশোর কাছাকাছি লোক মারা গেছে । ইরানে গণকবর খোঁড়া হচ্ছে। যতদিন চীনে এরকম হচ্ছিল, খবর পাচ্ছিলাম উহান প্রদেশ উজাড় হয়ে যাচ্ছে ততদিন আমরা সবাই সারাবিশ্ব বসে সমবেদনা জানানো ছাড়া আর কিছুই করিনি। তাই আজ ইউরোপ সহ সারাবিশ্বের এই অবস্থা। মাত্র একমাসের ব্যবধানে। এখন আমাদের দরজার দাঁড়িয়ে আছে মারণরোগ। মানুষ বিষাক্ত, বাতাস বিষাক্ত, হয়ত বা শরীরও বিষাক্ত হয়ে গেছে এতক্ষনে। জানতে না দিয়েই।
না আতঙ্ক ছাড়ানোর জন্য লিখছি না। ইতালি যে ভুল করেছিল আমরা সে ভুল যেন না করি । শুধু টিভি বা খবরের দর্শক হয়ে নয়, কিছু করার আবেদন এটা। হোয়াটস্যাপ বা ফেসবুকের ভুয়ো খবর নয়, বরং সচেতনতা ছড়ান। পরিসংখ্যান বলছে বাংলাদেশ সহ এই উপমহাদেশে মাত্র দুই সপ্তাহ যদি আমরা ঘরবন্দি হয়ে থাকি তাহলে আমাদের অবস্থা ইতালি বা ফ্রান্সের মত হবে না। ইতালি ইরান ফ্রান্স অনেক দেরিতে করেছে, আমাদের হাতে এখনো কিছুটা সময় আছে। দুই সপ্তাহ ঘোরা-বেড়ানো বা অদরকারি কাজগুলোকে মুলতুবি রাখুন। একসপ্তাহ ছুটি কাটান ঘরে বসে, অযথা দোকান বাজার ছোটাছুটি করে নিজের বিপদ ডেকে আনবেন না। এই এক দু সপ্তাহ খুব গুরুত্বপূর্ণ। দুসপ্তাহ পর হয়ত সেলফ কোয়ারেন্টাইনের আর কোনো প্রয়োজনীয়তাই থাকবে না। প্রকোপ একেবারে কমে যেতে পারে, নইলে হয়ত ঘরে বসে বসেও আক্রান্ত হতে পারেন।
আসুন, আমরা আগামী দু-সপ্তাহ মাত্র তিনটে কাজ করি। বেশি না, তিনটে কাজ-
#এক, বাইরে বেরোনো বন্ধ করে দিই। বন্ধ মানে বন্ধ। পাড়ার দোকানটুকুও নয়। আত্মীয় বন্ধু প্রতিবেশী কারোর বাড়ি যাবেন না, তাদেরও নিজের বাড়িতে ডাকবেন না। যেখানে ভিড় বেশি, কুড়ি জনের বেশি লোক জমায়েত হয়েছে সে জায়গা এড়িয়ে চলুন, সে শপিং মল হোক কি ধর্মীয় স্থান। দুসপ্তাহ সেদ্ধ ভাত খেয়েই চালিয়ে নিই। চাল-ডাল-আলু-পেঁয়াজ মজুত আছে এতদিনে। বিরিয়ানি মশলা কিনতে না বেরোনোর প্রতিজ্ঞা করি।
#দুই, সাধারণ হাইজিন মেনে চলি। খাবার আগে বা এবং ঘন্টায় অন্তত একবার করে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলি। নাকে-মুখে হাত যথাসম্ভব কম দিই।
#তিন, "আমি একা কি করব? সবাই তো মানছে না" - এই মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসুন। আপনার মাধ্যমে যদি একজনও ক্ষতিগ্রস্থ হয় সে হল আপনার প্রিয়জন। বাবা-মা-স্বামী-স্ত্রী-সন্তান। যার সঙ্গে আপনি দিনের বেশিরভাগ সময় কাটাচ্ছেন তাকে আপনিই মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছেন না তো? বয়স্ক মানুষ ছাড়াও যাদের হাইপ্রেসার, সুগার, হার্টের অসুখ, কিডনি, ক্যান্সার বা অন্য কোনো সাধারণ ক্রনিক রোগ আছে, করোনাভাইরাসের সংস্পর্শে এলে তাঁদেরও মৃত্যুর হার কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
তিনটে বিষয়, যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল বাইরে না বেরোনো। কতদিন না বেরিয়ে সম্ভব? ঠিক দু-সপ্তাহ। আপনি হয়ত স্ট্রং, সাধারণ ফ্লুয়ের উপসর্গও নেই। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেও আপনি ঠিক সুস্থ হয়ে যাবেন। কিন্তু চোদ্দদিনের মধ্যে আপনি যদি কোন অন্য মানুষের সংস্পর্শে আসেন তাহলে তাঁর জীবন বিপন্ন হতে পারে। এটা ভেবে শিক্ষিত শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ যদি এটুকু মেনে চলে তাহলেই আমরা নিরাপদ থাকব।
আসুন দেখিয়ে দিই, প্রথম বিশ্বও যেটা পারেনি, আমাদের গরিব দেশ সেটা করে দেখিয়েছে।
#বিঃদ্রঃ :একসাথে অনেক মানুষের কাছে পৌঁছনোর জন্য লেখাটা সার্কুলেট হওয়া জরুরি।কপি পেস্ট করে ছড়িয়ে দিন!
ইতালির অবস্থা খুব খারাপ। কবর দেওয়ার লোক পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে না। ইতালিতে এক একদিনে আজ আটশোর কাছাকাছি লোক মারা গেছে । ইরানে গণকবর খোঁড়া হচ্ছে। যতদিন চীনে এরকম হচ্ছিল, খবর পাচ্ছিলাম উহান প্রদেশ উজাড় হয়ে যাচ্ছে ততদিন আমরা সবাই সারাবিশ্ব বসে সমবেদনা জানানো ছাড়া আর কিছুই করিনি। তাই আজ ইউরোপ সহ সারাবিশ্বের এই অবস্থা। মাত্র একমাসের ব্যবধানে। এখন আমাদের দরজার দাঁড়িয়ে আছে মারণরোগ। মানুষ বিষাক্ত, বাতাস বিষাক্ত, হয়ত বা শরীরও বিষাক্ত হয়ে গেছে এতক্ষনে। জানতে না দিয়েই।
না আতঙ্ক ছাড়ানোর জন্য লিখছি না। ইতালি যে ভুল করেছিল আমরা সে ভুল যেন না করি । শুধু টিভি বা খবরের দর্শক হয়ে নয়, কিছু করার আবেদন এটা। হোয়াটস্যাপ বা ফেসবুকের ভুয়ো খবর নয়, বরং সচেতনতা ছড়ান। পরিসংখ্যান বলছে বাংলাদেশ সহ এই উপমহাদেশে মাত্র দুই সপ্তাহ যদি আমরা ঘরবন্দি হয়ে থাকি তাহলে আমাদের অবস্থা ইতালি বা ফ্রান্সের মত হবে না। ইতালি ইরান ফ্রান্স অনেক দেরিতে করেছে, আমাদের হাতে এখনো কিছুটা সময় আছে। দুই সপ্তাহ ঘোরা-বেড়ানো বা অদরকারি কাজগুলোকে মুলতুবি রাখুন। একসপ্তাহ ছুটি কাটান ঘরে বসে, অযথা দোকান বাজার ছোটাছুটি করে নিজের বিপদ ডেকে আনবেন না। এই এক দু সপ্তাহ খুব গুরুত্বপূর্ণ। দুসপ্তাহ পর হয়ত সেলফ কোয়ারেন্টাইনের আর কোনো প্রয়োজনীয়তাই থাকবে না। প্রকোপ একেবারে কমে যেতে পারে, নইলে হয়ত ঘরে বসে বসেও আক্রান্ত হতে পারেন।
আসুন, আমরা আগামী দু-সপ্তাহ মাত্র তিনটে কাজ করি। বেশি না, তিনটে কাজ-
#এক, বাইরে বেরোনো বন্ধ করে দিই। বন্ধ মানে বন্ধ। পাড়ার দোকানটুকুও নয়। আত্মীয় বন্ধু প্রতিবেশী কারোর বাড়ি যাবেন না, তাদেরও নিজের বাড়িতে ডাকবেন না। যেখানে ভিড় বেশি, কুড়ি জনের বেশি লোক জমায়েত হয়েছে সে জায়গা এড়িয়ে চলুন, সে শপিং মল হোক কি ধর্মীয় স্থান। দুসপ্তাহ সেদ্ধ ভাত খেয়েই চালিয়ে নিই। চাল-ডাল-আলু-পেঁয়াজ মজুত আছে এতদিনে। বিরিয়ানি মশলা কিনতে না বেরোনোর প্রতিজ্ঞা করি।
#দুই, সাধারণ হাইজিন মেনে চলি। খাবার আগে বা এবং ঘন্টায় অন্তত একবার করে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলি। নাকে-মুখে হাত যথাসম্ভব কম দিই।
#তিন, "আমি একা কি করব? সবাই তো মানছে না" - এই মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসুন। আপনার মাধ্যমে যদি একজনও ক্ষতিগ্রস্থ হয় সে হল আপনার প্রিয়জন। বাবা-মা-স্বামী-স্ত্রী-সন্তান। যার সঙ্গে আপনি দিনের বেশিরভাগ সময় কাটাচ্ছেন তাকে আপনিই মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছেন না তো? বয়স্ক মানুষ ছাড়াও যাদের হাইপ্রেসার, সুগার, হার্টের অসুখ, কিডনি, ক্যান্সার বা অন্য কোনো সাধারণ ক্রনিক রোগ আছে, করোনাভাইরাসের সংস্পর্শে এলে তাঁদেরও মৃত্যুর হার কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
তিনটে বিষয়, যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল বাইরে না বেরোনো। কতদিন না বেরিয়ে সম্ভব? ঠিক দু-সপ্তাহ। আপনি হয়ত স্ট্রং, সাধারণ ফ্লুয়ের উপসর্গও নেই। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেও আপনি ঠিক সুস্থ হয়ে যাবেন। কিন্তু চোদ্দদিনের মধ্যে আপনি যদি কোন অন্য মানুষের সংস্পর্শে আসেন তাহলে তাঁর জীবন বিপন্ন হতে পারে। এটা ভেবে শিক্ষিত শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ যদি এটুকু মেনে চলে তাহলেই আমরা নিরাপদ থাকব।
আসুন দেখিয়ে দিই, প্রথম বিশ্বও যেটা পারেনি, আমাদের গরিব দেশ সেটা করে দেখিয়েছে।
#বিঃদ্রঃ :একসাথে অনেক মানুষের কাছে পৌঁছনোর জন্য লেখাটা সার্কুলেট হওয়া জরুরি।কপি পেস্ট করে ছড়িয়ে দিন!
ভারতীয় সিরিয়ালের দখলে ঈদ বাজার
ভারতীয় সিরিয়ালের দখলে ঈদ বাজার
ভয়াবহ এক ব্যাধির নাম ভারতীয় সিরিয়াল। এর কু-প্রভাব থেকে রেহাই পাচ্ছেনা উঠতি বয়সী, তরুণী, যুবতী, গৃহবধূসহ কোমলমতি শিশুরাও। প্রতিবছর ঈদ আসলেই ধুম পড়ে যায় কেনাকাটার। সবাই নিজের ও পরিবারের পছন্দের পোশাক কিনতেই ব্যস্ত হয়ে পড়ে । কিন্তু সম্প্রতি কয়েক বছর ধরে বেশির ভাগ মানুষই কয়েকটি নির্দিষ্ট নামের পোশাক কিনতে ব্যস্ত । আর এই পোশাকের নাম গুলো সব ভারতীয় টিভি সিরিয়ালের। এই সিরিয়ালগুলো বাংলাদেশের মানুষ বিশেষ করে মেয়েদের উপর এমন প্রভাব বিস্তার করেছে। আর এই সিরিয়াল প্রেমের সুযোগ নিচ্ছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা। নিন্ম মানের পোশাককে সিরিয়ালের নামে ট্যাগ করে বিক্রি করছেন চড়া দামে।
পোশাক যতই নিম্নমানের হোক ভারতীয় টিভি সিরিয়ালের নাম ট্যাগ করলে হয়ে যায় সুপার ডুপার হিট। যদি ৫০০ টাকা মূল্যের পোশাকের নাম হয় কিরণমালা কিংবা পাখি তাহলে মেয়েরা এটা ৫০০০ টাকা দিয়েও কিনতে রাজি। কেউ নিজের পছন্দের সিরিয়ালের চরিত্রের নামে পোশাক কিনে আবার কেউ প্রতিবেশির কাছ থেকে নাম শুনে কেনায় বায়না ধরে। বিগত সময়ে এসব পোশাকের জন্য প্রানহানীর ঘটনা ঘটলেও চাহিদা কমছে না। এসব সিরিয়ালের প্রভাবে পরিবার-পরিজন কিংবা সামাজিক জীবনের দায়িত্বগুলো থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন নারীরা।বাজার এখন ছেঁয়ে গেছে কিরণমালা, পাখিসহ বিভিন্ন নামের ভারতীয় সিরিয়াল ‘মার্কা’ পোশাকে। এই বাজার পরিস্থিতি দেশীয় সংস্কৃতিতে ভয়াবহ প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিভিন্ন মার্কেটগুলোতে এখন ভারতীয় টিভি সিরিয়ালের নায়িকা বা মডেলদের পোশাকের দখলে রয়েছে। অভিজাত এলাকার শপিংমলগুলোতে ভারতীয় হিন্দি সিরিয়ালের মডেলদের পোশাকের জন্য হুমড়ি খাওয়া ভিড়। স্টার প্লাস, জি বাংলা, স্টার জলসার মতো চ্যানেলের সিরিয়ালের চাকচিক্য, খোলামেলা আর আভিজাত্যের দর্শনে বাঙালির মাঝে এক ধরনের বিলাসিতার বাসনা সৃষ্টি করেছে। এই পোশাকগুলোর দামও কম নয়, ৪ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত। ফলে সাধারণ পরিবারগুলো যেমন বিপদে পড়ছে তেমনি পোশাক শিল্পেও দেখা দিয়েছে ধস। ঈদের নতুন কাপড়ে যোগ হয়েছে বাহারি নাম। বেশির ভাগ নামই ভারতীয় টিভি সিরিয়াল কিংবা বলিউড থেকে নেওয়া। এসব নাম দিয়েই ব্যবসায়ীরা বাগিয়ে নিচ্ছেন কাপড়ের দাম। দেশি নয়, বরং বিদেশি পোশাকের নাম রেখেই ক্রেতাদের আকৃষ্ট করছেন দোকানিরা।
ক্রেতারা বলছেন, ভিনদেশি পোশাকের যত বাহারি নামই হোক না কেন আরামদায়ক ও মান বিবেচনায় দেশি পোশাকের জুড়ি নেই।
সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা বলছেন, শুধু মুনাফার লোভে ব্যবসায়ীদের এমন কর্মকাণ্ড এক ধরনের হীনমন্যতা। উঠতি বয়সী, তরুণী, যুবতী, গৃহবধূসহ কোমলমতি শিশুদের উপরও পড়ছে এর প্রভাব। এসব বন্ধে পোশাক সংগঠকদের পাশাপাশি সরকারি হস্তক্ষেপ জরুরি বলে মনে করেন তারা।
ক্রেতারা বলছেন, ভিনদেশি পোশাকের যত বাহারি নামই হোক না কেন আরামদায়ক ও মান বিবেচনায় দেশি পোশাকের জুড়ি নেই।
সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা বলছেন, শুধু মুনাফার লোভে ব্যবসায়ীদের এমন কর্মকাণ্ড এক ধরনের হীনমন্যতা। উঠতি বয়সী, তরুণী, যুবতী, গৃহবধূসহ কোমলমতি শিশুদের উপরও পড়ছে এর প্রভাব। এসব বন্ধে পোশাক সংগঠকদের পাশাপাশি সরকারি হস্তক্ষেপ জরুরি বলে মনে করেন তারা।
শিশু কারীর কুরআন তিলয়াত শুনুন কি মধুর।
শিশু কারীর কুরআন তিলয়াত শুনুন কি মধুর।
কাছে থেকেও আজ তুমি কত দূরে
VALOBASAR GOLPO
কাছে থেকেও আজ তুমি কত দূরে
কাছে থেকেও আজ তুমি কত
দূরে
কি বলব? কিছুই না……….
“আরি !মেয়েটা নিজের প্রফাইল
পিকচার দিছে !
ওয়াও !”
কমেন্ট করলাম ।
“NICE”
৫ মিনিট পর দেখলাম notification
আসছে একটা . . চেক করলাম ।
মেয়েটা কমেন্ট করেছে ।
“thanks”
একটা স্মাইল সিমবোল দিয়ে দিলাম ।
মেসেজ দিলাম ।
বললাম
“ফাটাফাটি একটা ছবি দিছো ।”
রিপ্লাই সাথে সাথেই এল ।
“হুম । আর পাম দেয়া লাগবে না”
খুব মজা পেলাম ।
এভাবেই ১0-১৫ দিন ফেসবুক এ মেসেজ
আদান
প্রদান চলল ।
একদিন হটাত্ ওর নাম্বার টা চাইলাম ।
সে জানতে চাইলো “কেন নাম্বার
কেন !”
বল্লাম “তোমাকে ডিস্টার্ব করব ।
তাই”
সে হেসে দিল ।
নাম্বার দিল ।
প্রথমবার এর মত কখা শুনলাম তার ।
অবাক হয়ে গেলাম । এত সুন্দর কন্ঠ !
আমি খুব ফান করতাম তার সাখে ।
আর সে শুধু হাসতো ।
ও হাসার সময় শুধু ওর হাসি টাই শুনতাম ।
এত সুন্দর করে যে কোন মানুষ
হাসতে পারে জানা ছিল না ।
আমাদের মধ্যে সারাদিন মেসেজ
চ্যাটিং হত ।
ও খুব বৃষ্টি পছন্দ করতো ।
আর আমি !
ওকে বলতাম . . .
“বৃষ্টি আবার কারো পছন্দ হয় নাকি !”
ও ঐ দিন খুব এক চোট হাসল ।
ওর কথাতেই জীবনে প্রথম বার এর মত
নিজের
ইচ্ছায় বৃষ্টিতে ভিজলাম ।
অদ্ভুত অনূভূতি হল ।
ওকে ওই দিন ফোন করে বললাম
“জানো ?
আজকে বৃষ্টিতে ভিজছি ।”
সে তো হাসতে হাসতে অবস্থাই
খারাপ করে ফেলল ।
ওই দিন বলেই ফেললাম
“হাসলে তোমাকে খুব সুন্দর
লাগে”
সে বলল “এই তুমি আমারে দেখছো ?
না দেখে কিভাবে বললা ?”
আমি বললাম “আমার মনের
মাঝে তোমার
একটা ছবি আকা আছে ।”
সে আবার ও হাসতে থাকল ।
আর আমি মুগ্ধ হয়ে শুনলাম ।
কতো যে কষ্টের রাত ওর
সাথে কথা বলে কাটিয়েছি !
কষ্টে থাকলেই ওর সাথে কথা বলতাম ।
কথা বলা শেষে অবাক হয়ে দেখতাম
মন ভাল
হয়ে গেছে ।
২.
২ দিন হল সে ফোন দেয় না । মেসেজ ও
দেয় না ।
অস্থির লাগতেছে ।
ও অবশ্য বলছিল যে ও সিম টা চেন্জ
করবে কারন
তাকে অনেকে ডিসটার্ব করে ।
তাই বলে ৪৮ ঘন্টা !
ভীষন অভিমান হল ।
সন্ধায় তার ফোন আসলো ।
সব রাগ অভিমান তার উপর
একসাথে প্রয়োগ
করলাম ।
সে কষ্ট পেল ।
তার চেয়ে বেশি কষ্ট পেলাম আমি ।
তাকে সরি বললাম । ওই দিন আর
সে কথা বলল না ।
ভীষন কষ্ট হল ।
৩.
ছোটবেলা থেকেই আমার
মাথা ব্যথা ।
ইদানিং ওটা বেড়েছে ।
অনেক মাথা ব্যথা করলে একসময় নাক মুখ
দিয়ে ব্লিডিং হয় । অনেক ডাক্তার
দেখাইছি । কিন্তু সবাই
বলে প্রবলেমটা মাথা ব্যাথা থেকেই
হয় ।
একদিন খবর পেলাম
অস্ট্রেলিয়া থেকে একজন
ডাক্তার এসেছেন ।
ওনাকে দেখাতে ঢাকা
গেলাম । ওর সাথে এই কারনে ২-৩ দিন
কথা হল
না ।
আমার খুব কষ্ট হচ্ছিল ।
ডাক্তার আমাকে বলল
যে উনি অস্ট্রেলিয়া থেকে আবার
কয়েকমাস পর
আসবেন । তখন
তিনি আমার টেস্টের রেজাল্ট
গুলো দিবেন ।ডাক্তার
আমার মাথা থেকে বুক
পর্যন্ত সিটিস্ক্যান করিয়ে রিপোর্ট
টা নিজের
সাথে নিয়ে গেল ।
এত ঝামেলার জন্য ওর
সাথে কথা বলতে পারি নি ।
এর আগে কখনো মনে হয়নি । কিন্তু ওই
দিন
মনে হয়ছিল যে ওকে আমি অনেক
অনেক ভালবাসি ।
৩.
রাতে ওকে ফোন দিলাম ।
ভেবেছিলাম ও রেগে যাবে । অবাক
হয়ে গেলাম যখন ও
বললো “কই ছিলা ? আমার কথা
কি মনে পরে নাই ? কি হইছে তোমার ?”
আমি ওকে আসল কথাটা বলতে চাই নি ।
আমি জানি না কিভাবে যেন
সে বুঝে ফেলল
আমি মিথ্যা বলতেছি ।
শেষ পর্যন্ত বলতেই হল ।
কথাটা সে হয়তো ভুলে গেল । কিন্তু
আমার এই
প্রবলেমটা বাড়তেই থাকল ।
আমি খেলতে খুব পছন্দ করি । সেটা ও
জানে । কিন্তু
খেলার সময় আমি ব্যথা
পেতাম । আর ও
কিভাবে জানি বুঝে ফেলত ।
কয়েকদিন খুব বকা দিত । কিন্তু যখন বুঝল
আমাকে থামাতে পারবে না । তখন শুধু
বলল “প্লীজ লক্ষী । একটু
দেখে খেইলো ।”
আমি ওর এধরনের কথা শুনে খুব হাসতাম ।
ওর সাথে খুব মজা করতাম ।
আর ও আমাকে একটা মোহের
মধ্যে রাখত ।
৪.
একদিন রাতে সাহস করে বলেই
ফেললাম মনের কথা ।
মেসেজে বলেছিলাম কারন কল করে
বলার মত সাহস ছিল না । অনেকক্ষন পর
একটা মেসেজ আসল । যেটার মূল
কথাটা ছিল
যে সে আমাকে ভাল একজন ফ্রেন্ড
হিসেবে পেতে চায়
। ওই দিন খুব কষ্ট হইছিল ।
বুঝ হবার পর ওই দিন ই প্রথম চোখ
দিয়ে অঝোর
ধারায় পানি পরেছিলো ।
কয়েকদিন কথা বলিনি ওর সাথে । ও
প্রতিদিন ই কল
করতো আমাকে । সিদ্ধান্ত নিলাম
সে আমাকে যেভাবেই চায়
সেভাবেই থাকবো । ওর
জন্য ভালবাসাটুকু আমার বুকেই
জমা থাকুক ।
আবার আগের মত হয়ে গেলাম ।
আমার সাথে পরিচিত হওয়ার আগে ওর
অনেক
ফ্রেন্ড ছিল ।
কিন্তু আস্তে আস্তে ওর ফ্রেন্ড এর
সংখ্যা কমতে থাকল । ও আমার সাথেই
সব
শেয়ার করতো ।
আমি নিজেকে আস্তে আস্তে গুটিয়ে ন
িতে থাকলাম ।
কারন যখন সে
আর একটা ছেলের সাথে এভাবেই
কথা বলবে তখন
আর আমাকে মনে থাকবে না । তাই
নিজের কষ্ট গুলো নিজের ভিতরেই
লুকিয়ে রাখতাম ।
৫.
রোজা এসে গেল ।
অস্ট্রেলিয়া থেকে ডাক্তার এল ।
আমি একাই
ডাক্তার এর
সাথে দেখা করতে গেলাম ।
ডাক্তার আমাকে রিপোর্ট
গুলো দেখাতে চাইলো না প্রথমে ।
পরে অনেক চাপাচাপির পর আমার
হাতে দিল ।
রিপোর্ট টা পরলাম । ওখানে লেখা
ছিল কোন এক অজ্ঞাত কারনে আমার
ঘাড়ের
কাছে দুটো রগ জরিয়ে গেছে একটা
আরেকটার সাথে ।
অপারেশন প্রয়োজন । কিন্তু অপারেশন
টা খুব
রিস্কি । বাচার সম্ভাবনা ৫০-৫০
। আর অপারেশন টা না করলে আমার
জীবন আর
বড়জোড় ৫ বছর ।
মন ভেঙ্গে গেল ।
আব্বা আম্মা কে জানাতে পারলাম
না ।
আব্বা আম্মা এখনো জানেন নাহ ।
আমার
চাচা যেহেতু ডাক্তার শুধু ওনি আর
আমার কিছু
কাছের বন্ধু কে জানালাম বিষয়
টা ।
এত রাগ লাগতেছিলো ! ভেবেছিলাম
ভাল কোন
জায়গায় টিকার পর আমার স্বপ্নের
মানুষ
টাকে নিজের করে নিবো । তখন
সে আর
মানা করতে পারবে না । কিন্তু আমার
স্বপ্ন
শুরুর আগেই শেষ হয়ে গেল ।
রাগে দুঃখে মোবাইল , সিম সব
ভেঙ্গে ফেললাম । ওর
সাথে যোগাযোগ বন্ধ ।
কিন্তু ঈদের কিছুদিন আগে আর
থাকতে পারলাম না ।
নতুন একটা সিম থেকে কল
দিলাম । সে ফোন ধরে অনেক কথাই
বললো ।
বললো আমি নাকি ওর সাথে আর
কনটাক্ট
রাখতে চাই না ।
আর সামলাতে পারলাম না ।
কি হলো কিছুই বুঝলাম
না ।
ওকে গড়গড় করে সব বলে দিলাম । কিন্তু
সে ভাবল
হয়তো আমি মজা করতেছি ।
আমার পক্ষে সিমটা ২৪
ঘন্টা খোলা রাখা সম্ভব
না । আমি সিম টা খুলি শুধু ওর
কথা ওর হাসি শোনার জন্য ।
ওটা দিয়ে শুধু ওকেই
ফোন করি আমি ।
আজকে সকালে ফোন দিলাম ।
অনেকবার । ও
ধরলো না ।
আমি জানি ও প্রবলেম ছাড়া সবসময় ই
ফোন রিসিভ
করে । কিন্তু আজকে আমার কি হল
বুঝলাম না । অনেক
উল্টা পাল্টা কথা বলে ফেললাম
। ওকে মেসেজ দিয়ে বললাম
“আমাকে ভুলেই গেলা ? অবশ্য আর
তো মাত্র
কয়েকদিন”
মেসেজটা সেন্ড করে ফোন অফ
করে দিলাম ।
বিকালের দিকে খুব খারাপ লাগা শুরু
করলো ।
মনে হল ওর
সাথে কথা বললে হয়তো ভাল
লাগবে ।
ফোন দিলাম ধরলো না । বুঝলাম রাগ
করছে আমার
সাথে । সন্ধায় ওকে মেসেজ দিয়ে
বললাম “আমার খুব খারাপ লাগতেছে ।
তোমার
সাথে কথা বলার ইচ্ছা ছিল”
মেসেজ সেন্ড হল নাকি হল না দেখার
টাইম পেলাম
না । এর আগেই শুরু হল
ব্লিডিং । তারপর আর কিছু মনে নেই ।
সেন্স আসল । চাচা আমার পাশে বসা ।
আম্মা আব্বা বাড়িতে গেছে । একটু পর
চাচা চলে গেল । আমার ছোট ভাই আসল
একটু পর ।
এসে ফোন টা দিয়ে বলল আমার ফোন
।
আমি তখন ও পুরোপুরি ঠিক না । ও যে কল
দিছে বুঝতে টাইম লাগল ।
ও জানতে চাইল যে আমার কি হইছে ।
বললাম কিছু না । ও কেদে ফেলল ।
অবাক হলাম । ওর
কান্না কখনো শুনি নি । ধক
করে উঠলো বুক টা । অনেক
কষ্টে ওকে শান্ত
করে ফোন কাটলাম ।
কারেন্ট চলে গেল ।
অন্ধকারে শুয়ে শুয়ে ভাবতে থাকলাম
“কেন কাদল
সে ? তাহলে
কি সে আমাকে পছন্দ করে ?
নাকি শুধুই Sympathi ?”
যাই হোক । অনেক দেরি হয়ে গেছে ।
গান শুনতেছিলাম একটা . . .
গানের কথাগুলো আমার মনের কথার
সাথে মিলে গেল . .
” হাসতে গেলে এখন আমার
চোখে আসে পানি ,
কখন জানি হটাত্ আবার চোখের রক্ত
ঝরে ,
সৃষ্টি হবে অন্য রকম একটি গল্প আজ ,
আলোর
নিচে সাজবো আমি অন্ধকারের সাজ
।
দেখো আবার আসে না যেন তোমার
চোখে পানি ,
হটাত্
করে দেখবে তুমি হারিয়ে গেছি আমি ।
”
(আমার হাতে সময় আসলেই খুব কম । তার
পর ও
আমি বাচতে চাই । জানি না সে
আমাকে ভালবাসে কিনা । কিন্তু
আমি তার
স্মৃতি নিয়েই থাকতে চাই।
তুই কি আমার দুঃখ হবি
তুই কি আমার দুঃখ হবি
আনিসুল হক
তুই কি আমার দুঃখ হবি?
এই আমি এক উড়নচন্ডী আউলা বাউলAnisul Haque
রুখো চুলে পথের ধুলো
চোখের নীচে কালো ছায়া।
সেইখানে তুই রাত বিরেতে স্পর্শ দিবি।
তুই কি আমার দুঃখ হবি?
এই আমি এক উড়নচন্ডী আউলা বাউলAnisul Haque
রুখো চুলে পথের ধুলো
চোখের নীচে কালো ছায়া।
সেইখানে তুই রাত বিরেতে স্পর্শ দিবি।
তুই কি আমার দুঃখ হবি?
তুই কি আমার শুষ্ক চোখে অশ্রু হবি?
মধ্যরাতে বেজে ওঠা টেলিফোনের ধ্বনি হবি?
তুই কি আমার খাঁ খাঁ দুপুর
নির্জনতা ভেঙে দিয়ে
ডাকপিয়নের নিষ্ঠ হাতে
ক্রমাগত নড়তে থাকা দরজাময় কড়া হবি?
একটি নীলাভ এনভেলাপে পুরে রাখা
কেমন যেন বিষাদ হবি।
মধ্যরাতে বেজে ওঠা টেলিফোনের ধ্বনি হবি?
তুই কি আমার খাঁ খাঁ দুপুর
নির্জনতা ভেঙে দিয়ে
ডাকপিয়নের নিষ্ঠ হাতে
ক্রমাগত নড়তে থাকা দরজাময় কড়া হবি?
একটি নীলাভ এনভেলাপে পুরে রাখা
কেমন যেন বিষাদ হবি।
তুই কি আমার শুন্য বুকে
দীর্ঘশ্বাসের বকুল হবি?
নরম হাতের ছোঁয়া হবি?
একটুখানি কষ্ট দিবি।
নিজের ঠোট কামড়ে ধরা রোদন হবি?
একটুখানি কষ্ট দিবি।
প্রতীক্ষার এই দীর্ঘ হলুদ বিকেল বেলায়
কথা দিয়েও না রাখা এক কথা হবি?
একটুখানি কষ্ট দিবি।
দীর্ঘশ্বাসের বকুল হবি?
নরম হাতের ছোঁয়া হবি?
একটুখানি কষ্ট দিবি।
নিজের ঠোট কামড়ে ধরা রোদন হবি?
একটুখানি কষ্ট দিবি।
প্রতীক্ষার এই দীর্ঘ হলুদ বিকেল বেলায়
কথা দিয়েও না রাখা এক কথা হবি?
একটুখানি কষ্ট দিবি।
তুই কি একা আমার হবি?
তুই কি আমার একান্ত এক দুঃখ হবি?
তুই কি আমার একান্ত এক দুঃখ হবি?
কবিতা খতিয়ান – রুদ্র মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ
খতিয়ান
রুদ্র মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ
হাত বাড়ালেই মুঠো ভরে যায় ঋণে
অথচ আমার শস্যের মাঠ ভরা।
রোদ্দুর খুঁজে পাই না কখনো দিনে,
আলোতে ভাসায় রাতের বসুন্ধরা।
টোকা দিলে ঝরে পচা আঙুলের ঘাম,
ধস্ত তখন মগজের মাস্তুল
নাবিকেরা ভোলে নিজেদের ডাক নাম
চোখ জুড়ে ফোটে রক্তজবার ফুল।
ডেকে ওঠো যদি স্মৃতিভেজা ম্লান স্বরে,
উড়াও নীরবে নিভৃত রুমালখানা
পাখিরা ফিরবে পথ চিনে চিনে ঘরে
আমারি কেবল থাকবে না পথ জানা–
টোকা দিলে ঝরে পড়বে পুরনো ধুলো
চোখের কোণায় জমা একফোঁটা জল।
কার্পাস ফেটে বাতাসে ভাসবে তুলো
থাকবে না শুধু নিবেদিত তরুতল
জাগবে না বনভূমির সিথানে চাঁদ
বালির শরীরে সফেদ ফেনার ছোঁয়া
পড়বে না মনে অমীমাংসিত ফাঁদ
অবিকল রবে রয়েছে যেমন শোয়া
হাত বাড়ালেই মুঠো ভরে যায় প্রেমে
অথচ আমার ব্যাপক বিরহভূমি
ছুটে যেতে চাই– পথ যায় পায়ে থেমে
ঢেকে দাও চোখ আঙুলের নখে তুমি।
SEE NICE FUNNY VIDEO ABOUT
SEE NICE FUNNY VIDEO ABOUT ETC.
রমজানের উপহার (পাপ থেকে মুক্তির উপায়-৪)
রমজানের উপহার (পাপ থেকে মুক্তির উপায়-৪)
পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে তোমরা ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য কামনা কর। অনেকেই মনে করেন এখানে ধৈর্য বলতে রোজা বা সংযমকে বোঝানো হয়েছে। মহানবী (সা.) বলেছেন, রোজা আত্মরক্ষার ঢালস্বরূপ।রমজানে পাপ থেকে মুক্ত থাকার প্রশিক্ষণ নেয়ার পূর্বশর্ত হিসেবে পাপের কুফল ও পরিণতি সম্পর্কে সচেতন হওয়া জরুরি। কোনো কোনো পাপ সংযমের বাঁধ ভেঙ্গে দেয়। যেমন-মদ ও নেশা জাতীয় দ্রব্য সেবন, জুয়া খেলা,তামাশা ও বিদ্রূপপূর্ণ খেলায় অংশগ্রহণ, অপর মানুষের দোষ-ত্রুটি নিয়ে গল্প করা এবং সন্দেহবাদী ও নাস্তিকদের সাথে ওঠাবসা করা (আনিসুল লাইল, ইমাম জাফর সাদিক) কোনো কোনো পাপ দুর্যোগ ডেকে আনে । যেমন-চুক্তি ভঙ্গ করা, লজ্জাজনক কাজ প্রকাশ করা,আল্লাহর স্পষ্ট নির্দেশের বিপরীত রায় দেয়া, জাকাত দিতে অস্বীকার করা বা বাধা দেয়া, মাপে কম দেয়া। (মালবুবি) কোনো কোনো পাপ নিয়ামতগুলোকে গজবে পরিবর্তিত করে দেয় । যেমন-মানুষের সাথে অন্যায় আচরণ করা, একজন আলেমকে চুপ করিয়ে দেয়া বা তাঁর বিরুদ্ধাচরণ করা, আল্লাহর রহমতের প্রতি অকৃতজ্ঞ হওয়া এবং আল্লাহর সাথে শরীক করা, নিজের দারিদ্র প্রচার করা, আল্লাহর অনুগ্রহের প্রতি বীতশ্রদ্ধ হওয়া ও আল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযোগ করা (ইমাম জাফর সাদিক,আনিসুল লাইল)
কোনো কোনো পাপ দোয়া কবুল হবার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। যেমন-বিকৃত ঈমান পোষণ, দোয়া কবুল হবার ব্যাপারে অবিশ্বাস, ভাইয়ের প্রতি মোনাফেকি, সময়মত নামাজ না পড়া এবং পিতা-মাতার প্রতি দায়িত্ব পালন না করা। (প্রাগুক্ত)
কোনো কোনো পাপ দুর্ভাগ্য বা কষ্ট ডেকে আনে । যেমন- যারা কষ্টে আছে তাদের সাহায্য না করা, নির্যাতিত ব্যক্তি, যারা সাহায্য প্রার্থনা করছে, তাদের রক্ষার জন্যে অগ্রসর না হওয়া এবং সৎকাজের আদেশ ও অসৎ কাজের প্রতিরোধের বিরোধিতা করা (ইমাম যাইনুল আবেদীন, আনিসুল লাইল। )
কোনো কোনো গোনাহ আশাকে বিনষ্ট করে দেয় । যেমন- আল্লাহর অনুগ্রহের ব্যাপারে নিরাশ হওয়া,আল্লাহর ক্ষমাশীলতায় আস্থা না রাখা, আল্লাহর পাশাপাশি অন্য কারো ওপর ভরসা করা এবং আল্লাহর প্রতিশ্রুতিতে অবিশ্বাস করা। (ইমাম জাফর সাদিক)
হাদিসে এসেছে, যার মধ্যে দুটি স্বভাব থাকবে মহান আল্লাহ তাকে বিনা হিসেবে বেহেশত দান করবেন। আর এ দুটি গুণ হল, অল্পে তুষ্টি তথা আল্লাহর দেয়া বরাদ্দে সন্তুষ্ট থাকা এবং গোপন বা নিভৃত স্থানেও আল্লাহকে ভয় করা তথা আল্লাহর ভয়ে পাপ না করা।
বিষয়টি বলতে খুব সহজ হলেও কাজে তা সহজ নয়। আর এ জন্যই দরকার গভীর খোদা-প্রেম। খোদাপ্রেমের শর্ত হল জ্ঞান বা আল্লাহকে জানা। আল্লাহকে জানার উপায় হল তাঁর প্রিয় মহাপুরুষদের ভালোভাবে জানা। আর সব কিছুর আগে জাগিয়ে তুলতে হবে বিবেককে। বিদ্রোহী প্রবৃত্তিকে দমন করা ছাড়া বিবেক জেগে ওঠে না। আর কুপ্রবৃত্তিকে দমনের জন্যই দরকার রোজা যা রমজান মাসের পরও বিশেষ ক'টি দিন ছাড়া সারা বছরের যে কোনো দিনে রাখা যায়।
দোয়ায়ে মাকারিমুল আখলাক বা বা সর্বোচ্চ নৈতিক গুণাবলী' শীর্ষক বিখ্যাত দোয়ার আলোকে আমাদের উচিত মহান আল্লাহর কাছে সম্মানের আবেদনের পাশাপাশি অহংকার থেকেও দূরে রাখার প্রার্থনা করা। আমাদের উচিত মানুষের উপকার করা কোনো স্বার্থ বা বিনিময় পাওয়ার চিন্তা না করেই। উপকার করার পর মানুষকে উপকারের খোঁচা দিলে তা হয়ে পড়ে মূল্যহীন। মানুষ যদি আমাদের অতীতের চেয়ে একটু বেশি সম্মান দেয় তাহলে মনে মনে নিজেকে আরও বেশি বিনয়ী ও হীন করা উচিত। যারা আমাদের কষ্ট দেয় তাদের ক্ষমা করা, যারা আমাদের দোষ-ত্রুটি তুলে ধরে তাদেরকে অন্যদের সামনে শ্রদ্ধার সঙ্গ স্মরণ করা, যারা সম্পর্ক ছিন্ন করে তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা, যারা আমাদের বঞ্চিত করেছে তাদের দান করা- এসবই অতি উচ্চ স্তরের মহৎ গুণ। মানুষের ভালো কাজের প্রশংসা করা, তাদের দোষ বা ত্রুটি গোপন রাখা, ঘৃণা, ক্রোধ ও প্রতিহিংসার আগুনকে দমিয়ে রাখা এবং বিবদমান মানুষের মধ্যে ঐক্য ও সম্প্রীতি গড়ে দেয়া- এইসব গুণ অর্জন পবিত্র রমজানের প্রশিক্ষণের অন্যতম লক্ষ্য। অধীনস্থদের প্রতি দয়ার্দ্র থাকা, নিজের ক্ষতি হলেও সত্য কথাটি বলা, অনেক সৎকর্ম করলেও তাকে খুব কম বলে মনে করা এবং খুব কম অন্যায় করা সত্ত্বেও তাকে খুব বেশি বলে মনে করাও অতি উচ্চ স্তরের মহৎ গুণ।
রিয়া বা নিজের ভালো কাজকে জাহির করা ইচ্ছা এবং 'ওজব্' বা অনেক ভালো কাজ করে ফেলেছি বা অনেক ভালো মানুষ হয়ে গেছি- এ জাতীয় ধারণা হল দু'টি মারাত্মক ও সূক্ষ্ম পাপ। এইসব পাপ মানুষের সব পুণ্যকে ধ্বংস করে ফেলে।
মহান নবী-রাসূল (আ.) ও ইমামগণ (আ.) সব সময় নিজেদেরকে হীনতম ও তুচ্ছতম ব্যক্তি বলে মনে করতেন এবং মহা-অপরাধী হওয়ার চেতনা নিয়েই আল্লাহর দরবারে ক্রন্দন করতেন। বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.) প্রতিদিন অন্তত ৭০ বার তওবা করতেন এবং আল্লাহর ভয়ে ক্রন্দন করতেন যদিও তিনি কখনও কোনো পাপ করেননি। আমিরুল মু'মিনিন আলী (আ.) এই বলে দুঃখ করতেন, পরকালের সফর কত দীর্ঘ অথচ পাথেয় বা সৎকর্ম কতো কম! তিনি রাতের বেলায় এমনভাবে ক্রন্দন করতেন মনে হয় যেন তাঁকে সাপে দংশন করেছে! তাই নবী-রাসূল ও ইমামদের নীচের পর্যায়ে মুসলমানদের তো উচিত আল্লাহর দরবারে আরো বেশি বিনয়ী হওয়া ও আরও বেশি ক্রন্দন করা। নামাজের সময় উপস্থিত হলে আল্লাহর ভয়ে মহান ইমামগণের মুখের রং বদলে যেত। মহান আল্লাহ আমাদেরকে প্রকৃত খোদাভীরু ও মুমিন হওয়ার তৌফিক দিন।
এবারে পড়া অর্থসহ নবম রোজার দোয়া:
الیوم التّاسع : اَللّـهُمَّ اجْعَلْ لی فیهِ نَصیباً مِنْ رَحْمَتِکَ الْواسِعَةِ، وَاهْدِنی فیهِ لِبَراهینِکَ السّاطِعَةِ، وَخُذْ بِناصِیَتی اِلى مَرْضاتِکَ الْجامِعَةِ، بِمَحَبَّتِکَ یا اَمَلَ الْمُشْتاقینَ .
হে আল্লাহ ! এদিনে আমাকে তোমার রহমতের অধিকারী কর । আমাকে পরিচালিত কর তোমার উজ্জ্বল প্রমাণের দিকে । হে আগ্রহীদের লক্ষ্যস্থল । তোমার ভালোবাসা ও মহব্বতের উসিলায় আমাকে তোমার পূর্ণাঙ্গ সন্তুষ্টির দিকে নিয়ে যাও ।
রোজার সময় পাঁচটি বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখবেন
রোজার সময় পাঁচটি বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখবেন
ফারজানা খানম শিমুল
সংযম পালন মানুষের ইচ্ছাশক্তিকে দৃঢ় করে, রুচিকে পরিশীলিত করে, ভালো কাজ করার জন্য প্রণোদনা দেয়, সুস্থ মানস ও ব্যক্তিত্ব গঠনে সাহায্য করে। কষ্ট সহ্য করার শক্তি, ধৈর্যশক্তি ও সংযম-এ গুণাবলি মানুষ অর্জন করে উপবাস চর্চায়। ভালোভাবে রোজা রাখতে কিছু বিষয় অবশ্যই খেয়াল করা জরুরি।
১. হতে হবে খাদ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে যত্নশীল
রোজা নিয়ে মানুষের স্বাস্থ্য ভাবনার শেষ নেই। রোজায় সেহরি, ইফতার ও শারীরিক সুস্থতা নিয়ে মানুষের মনে এ সময়ে থাকে অনেক জিজ্ঞাসা। এবার দিন বড় হওয়ায় রোজাও রাখতে হচ্ছে অনেকক্ষণ, প্রায় ১৬ ঘণ্টা অভুক্ত অবস্থায় থাকতে হচ্ছে। আর এই মাসে পানাহার থেকে বিরত থাকলেও আমরা সেহরির সময় কম আর ইফতারের সময় অনেক বেশি খাবার খেয়ে ফেলি। এতে বেশ কিছু রোজা পার হলেই অনেকেই শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েন। কারণ রোজা রাখা অবস্থায় নিয়মিত কাজকর্মও করতে হয়। তবে আমরা যদি খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে যত্নশীল হই, তাহলে হয়তো অনেক সুন্দরভাবে সিয়াম পালন করতে পারব।
২. মানসিক এবং ধর্মীয় বিশ্বাস
রমজানের এই সময়টিতে স্বভাবতই আমাদের দেহঘড়ির খাদ্য গ্রহণ প্রক্রিয়ায় বেশ কিছু পরিবর্তন আসে। এ ছাড়া আবহাওয়া ও শারীরিক অবস্থার কারণে রোজা রাখতে গিয়ে অনেকে নানা রকম সমস্যায় পড়েন। যদিও মানসিকভাবে শক্ত থাকলে এবং মনে ধর্মীয় বিশ্বাস থাকলে এসব সমস্যার অনেকটাই সমাধান করা যায়। তবে রোজার এই সময়টিতে কারো খাদ্যাভ্যাস যেন তার জন্য সমস্যার কারণ হয়ে না দাঁড়ায় সে জন্য খানিকটা সতর্কতারও প্রয়োজন রয়েছে।
৩. খাবার ও খরচে সংযম
রমজান হচ্ছে সংযমের মাস। রমজানে আমাদের খাবার কম হওয়া উচিত। খরচ কম করা উচিত। সেখানে রমজানে আমাদের প্রত্যেকের খাবারের খরচ বেড়ে যায়। এই এক মাস আমরা যেন খাবারের প্রতিযোগিতায় নেমে না যাই।
৪. সঠিকভাবে খাদ্য নির্বাচন
রোজা পালন করতে গিয়ে অনেকে শঙ্কিত বোধ করেন, যদি তাঁদের কোনো অসুস্থতা থাকে। তবে যদি রোগ বুঝে খাওয়া হয়, তাহলে তেমন কোনো সমস্যা হয় না। আবার যাদের কোনো অসুস্থতা নেই, তারাও যদি সঠিকভাবে খাদ্য নির্বাচন করে খান তাহলে তারাও নির্বিঘ্নে এক মাস রোজা রাখতে পারেন। আমাদের দেশে মানুষের মধ্যে রমজানে যে খাদ্যাভ্যাস লক্ষ করা যায়, তা স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এ সময়ে খাবারের প্রধান পর্যায় দুটি। সেহরি ও ইফতার। আমাদের দেশে সেহরি ও ইফতারের অধিকাংশ খাবারই হচ্ছে চর্বিসমৃদ্ধ এবং তেলে ভাজা। সেহরি ও ইফতারের খাবার নির্বাচনে রোজাদারের বয়স ও শারীরিক অবস্থাকে বিবেচনায় রাখা হয় না। কিন্তু এসব দিকে নজর দিতে হবে।

৫. খেতে হবে অল্প পরিমাণে
সারা দিন না খেয়ে থাকার কারণে অনেকে মনে করেন ইফতারে বেশি করে না খেলে শরীর টিকবে না। আসলে শরীর ঠিক থাকবে পরিমিত ও সুষম খাবারের মাধ্যমেই, বেশি খাওয়ার মাধ্যমে নয়। প্রয়োজনের তুলনায় যত বেশি খাবার খাওয়া হবে, ততই এর কুফল ভোগ করতে হবে। কারণ ইফতারি ও সেহরিতে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি খাবার খেলে ক্ষুধার ভাব বেশি লাগে। যদি পরিমিত পরিমাণে খাওয়া হয়, তাহলে ক্ষুধাটা অত তীব্র হয় না। ইফতার ও সেহরিতে খুব বেশি পরিমাণে খেলে দিনের বেলায় ক্ষুধার তীব্রতা বাড়ে। এ ছাড়া অন্যান্য সমস্যার মধ্যে রয়েছে বমি, পেট ব্যথা, গ্যাস্ট্রাইটিস, পেট ফাঁপা, মাথা ধরা প্রভৃতি। সারা দিন রোজা রাখার পরে ক্যালরিযুক্ত খাবার বেশি খেলে যেমন শরীরের ওজন বেড়ে যায়, তেমনি হজমেও গোলমাল হতে পারে।
লেখক : প্রধান প্রশিক্ষক ও ইনচার্জ, পারসোনা হেলথ
জেনে নিন রোজা রাখার ৫টি শারিরিক উপকারিতা
জেনে নিন রোজা রাখার ৫টি শারিরিক উপকারিতা
রোজা রাখা শুধু ধর্মীয় অনুভূতির জন্য নয়, স্বাস্থ্য রক্ষাতেও কার্যকরী৷ উচ্চ রক্তচাপ কমাতে বা শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বের করতে ভূমিকা রাখে রোজা। এর উপকারিতা সম্পর্কে জার্মানিতে একটি সমীক্ষার ফলাফলে জানা গেছে, শতকরা ৫৫ জন জার্মান একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত না খাওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন। একটি অ্যামেরিকান গবেষণা থেকে জানা যায়, রোজা রাখলে তা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।
দূষিত পদার্থ বের করে দেয়
ফাস্টফুড, সাদা রুটি, পিৎসা জাতীয় তৈরি খাবার শরীরের ভেতরে ঢুকে ‘টক্সিন’ বা দূষিত পদার্থে রূপান্তরিত হয়৷ এগুলো শরীর থেকে বের হওয়া জরুরি৷ আর সে ক্ষেত্রেই কাজে আসে উপোস করা৷ সারাদিন না খেয়ে থাকার ফলে শরীরে জমে থাকা ফ্যাট এবং দূষিত ও ক্ষতিকারক পদার্থগুলো বিভিন্ন অঙ্গের মাধ্যমে বের হয়ে যায়৷ তাছাড়া রোজা রাখলে অনেকটা সময় না খাওয়ার ফলে পাকস্থলীর অ্যাসিড নিঃসরণও কিছুটা কমে, ফলে গ্যাসট্রিকের ব্যাথাও কম হয়।
ডায়বেটিস প্রতিরোধে সহায়ক
সারাদিন না খেয়ে থাকার কারণে শরীরের ‘গ্লুকোজ’ বা শর্করা জাতীয় খাবারের দ্রুত ক্ষয় হয় এবং তা দেহের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি যোগায়৷ এর ফলেই ‘ইনসুলিন’-এর উৎপাদন কমে যায় এবং তা প্যানক্রিয়াসকে খানিকটা বিশ্রাম দেয়৷ গ্লুকোজ ক্ষয়ের ফলে শরীরে ‘গ্লাইক্লোজেন’ তৈরি হয় এবং ‘ব্লাডসুগার’ কমে ডায়বেটিস প্রতিরোধে সহায়ক হয়।
রক্তচাপ হ্রাস করে
না খেয়ে থাকা অবস্থায় শরীরে গ্লুকোজ ও চর্বিকণাগুলোর ক্ষয় হয়ে শক্তি উৎপাদন হয় এবং ‘মেটাবলিক রেট’ কমে৷ তাছাড়া অন্যান্য হরমোনের মতো ‘স্ট্রেস হরমোন’-ও কমে, ফলে রক্তচাপও কমতে পারে৷ এছাড়াও রোজার মাসে ধূমপান কম করা হয়৷ তাই এটা ধূমপান একেবারের মতো ছেড়ে দেবারও একটা পরীক্ষা হতে পারে বলে মনে করেন অনেকে৷ সারাদিন রোজা রাখলে শরীরে ‘কোলেস্টোরল’-এর পরিমাণও কিছুটা কমে, ফলে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমে।
ওজন কমে

রোজা বা সংযমের মাসে সারাদিন না খাওয়াতে পাকস্থলী কিছুটা ছোট হয় তাই ওজন কমানো হয় সহজ৷ এই অভ্যাস রোজার পরে অব্যাহত রাখলে ওজন নিয়ে আর কোনো চিন্তাই থাকে না৷ অনেক জার্মান কোনো উৎসব বা উপলক্ষ্যে বেশি খাওয়া-দাওয়ার পর অথবা বছরে এক বা দু’বার নিয়ম করে কয়েকদিন উপোস করেন৷ এই উপোসের সময় খাবারের তালিকায় থাকে সেদ্ধ শাক-সবজি, সবজির স্যুপ, গ্রিন টি, অর্থাৎ প্রচুর পানি জাতীয় খাবার৷ যা শরীরকে হালকা ও পরিষ্কার করে।
রোজার পরেও সুন্দর ও ফিট থাকুন
রোজা যেহেতু এখন গরমের সময় হচ্ছে, তাই বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে শরীরে পানিশূন্যতা না হয়৷ তাই ইফতারের সময় ভাজা, পোড়া কম খেয়ে বিভিন্ন মৌসুমি ফল, ডাবের পানি ও তরমুজ খাওয়া স্রেয়৷ তরমুজ হার্ট, ধমনী, কিডনির জন্য খুব উপকারী৷ তাছাড়া আম, কাঁঠাল, আনারস, বাঙ্গি থাকতে পারে ইফতারের টেবিলে৷ এগুলোতে রয়েছে ভিটামিন এ আর সি, যা ‘অ্যান্টি অক্সিডেন্ট’ হিসেবে কাজ করে এবং রোজার পরেও ত্বক সুন্দর ও আকর্ষণীয় রাখে।
চাকরি হারালেন ছাত্রীদের নগ্ন ছবি চাওয়া শিক্ষক ফেরদৌস
চাকরি হারালেন ছাত্রীদের নগ্ন ছবি চাওয়া শিক্ষক ফেরদৌস
ছাত্রীদের যৌন হয়রানির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার ঢাকার আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মাহফুজুর রশিদ ফেরদৌসকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সিদ্ধান্ত ও চাকরির শর্ত অনুযায়ী তাকে ৪ মে থেকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক সফিউল্লাহ সোমবার গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গত ৪ মে রাজধানীর রমনার একটি ফ্ল্যাট থেকে শিক্ষক ফেরদৌসকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাকে দুই দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। এর পর গত শনিবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঢাকার মহানগর হাকিম কাজী কামরুল ইসলামের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেন তিনি।
জবানবন্দিতে শিক্ষক ফেরদৌস জানান, প্রথমে ছাত্রীদের ফুঁসলিয়ে নিজের শ্বশুরের দেওয়া ফ্ল্যাটে নিয়ে যেতেন তিনি। পরে তাদের কাছে নগ্ন সেলফি চাইতেন। এরপর ছাত্রীদের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক গড়তেন। উভয়ের সম্মতিতেই এটা হতো।
স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে তিনি বলেন, প্রথমে ছাত্রীদের শর্ত প্রদান করতাম। আমি তোমাদের পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেব ও ভালো নম্বর দেব। এর বিনিময়ে আমি যা চাইব তা দিতে হবে। এতে ছাত্রীরা রাজি হলে তাদেরকে ফ্ল্যাটে নিয়ে যেতাম। ফ্ল্যাটে নেওয়ার পর তাদের সঙ্গে গল্প করতাম এবং তাদের নগ্ন সেলফি চাইতাম। বিভিন্নভাবে যৌন হয়রানি করতাম। কোনো কোনো ছাত্রী আমার আচরণ বুঝতে পেরে চলে যেত। আর যাদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে উঠতো তা উভয়ের সম্মতিতেই হতো। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ছাত্রীই প্রাপ্তবয়স্ক।
এর আগে গত মঙ্গলবার রাতে ছাত্রীদের যৌন হয়রানির অভিযোগে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আব্দুল্লাহ আল সায়েম কলাবাগান থানায় মামলা করেন। পরে ওই রাতেই কলাবাগানের বাসা থেকে ফেরদৌসকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে বুধবার তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।ত্রীদের নগ্ন ছবি চাওয়া শিক্ষক ফেরদৌস
পূরুষদের যৌন ক্ষমতা নষ্ট করে দিচ্ছে : ইন্টারনেট পর্ণোগ্রাফি
পূরুষদের যৌন ক্ষমতা নষ্ট করে দিচ্ছে : ইন্টারনেট পর্ণোগ্রাফি
সম্প্রতি এক গবেষণা রিপোর্টে প্রকাশ পেয়েছে, ইন্টারনেট পর্ণোগ্রাফি এমন একটি তরুণ প্রজন্ম তৈরি করছে, যারা শোবার ঘরে একেবারেই হতাশাজনক। নতুন এই মিডিয়া তরুণগোষ্ঠীকে এতই আকৃষ্ট এবং প্রভাবিত করছে যে, তারা প্রকৃত নারীর সান্নিধ্যে তেমন একটা আকর্ষণ অনুভব করছে না। যৌন অক্ষমতা এখন কেবল আর খারাপ শরীরের প্রৌঢ়দের মাঝেই সীমাবদ্ধ নেই, এটা এখন তরুণ জনগোষ্ঠীর ভেতরও প্রকট হতে শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের খুব সন্মানজনক গবেষণা জার্নাল, ‘সাইকোলজি টুডে’-তে একটি গবেষণাপত্রে সম্প্রতি উল্লেখ করা হয়েছে, এ বিষয়টি এখন এতই স্বাভাবিক হয়ে গেছে যে, মাত্র ২০ বছরের তরতাজা যুবকও প্রকৃত অর্থে স্বাভাবিক যৌনাচরণ করতে পারছে না। এর মূল কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, যারা পর্ণো দেখে তাদের যৌন উত্তেজনা তৈরিতে ব্রেনে এক্সট্রিম উত্তেজনার (ডাক্তারি ভাষায় এটাকে বলে (ডোপামাইন স্পাইক) প্রয়োজন হয়। আর একবার এই উত্তেজনায় অভ্যস্ত হয়ে গেলে, তখন সাধারণ নারীতে আর সেই উত্তেজনা আসে না এবং ব্রেন ঠিকমত কাজ করে না। ফলে তারা নপুংশক হয়ে যায়।
রিপোর্টটির লেখিকা মারনিয়া রবিনসন্স বলেন, যৌন উত্তেজক গল্প, ছবি, ভিডিও—এগুলো আগেও ছিল। কিন্তু ইন্টারনেটের কারণে এই ‘ডোপামাইন স্পাইক’ সীমাহীন পর্যায়ে চলে যেতে পারে। ফলে এর প্রভাব অনেক বেশি ক্ষতিকর। অনেক যুবকের ওপর গবেষণা করে দেখা গেছে, তাদের ওপর এই ডোপামাইন স্পাইকের প্রভাব এতই বেশি, ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্রমাগত পর্ণো না দেখলে তারা যৌন উত্তেজনাই অনুভব করে না। তাদের কেউ কেউ খুবই হতাশ হয়ে পড়েন, যখন দেখতে পান তাদের স্বাভাবিক যৌন জীবন আর স্বাভাবিক থাকছে না। পাশাপাশি অনেকেই জানে না, ইন্টারনেট পর্ণোগ্রাফি এভাবে যৌন উত্তেজনাকে কমিয়ে ফেলতে পারে এবং এটা জানার পর তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে।
রবিনসনের মতে, এর থেকে মুক্তির উপায় হলো ব্রেনকে আবার রিবুট করা। অর্থাত্ পর্ণোগ্রাফি দেখা একদম বন্ধ করে দেয়া এবং কয়েক মাস পুরোপুরি বিশ্রাম নেয়া। এর ফলে ব্রেন থেকে সেই অতি উত্তেজনাকর সিগনালগুলো দুর্বল হয়ে যাবে এবং একটা সময় সেই মানুষটি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতেও পারে। উঠতি বয়সী তরুণদের হাতে এখন কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট রয়েছে। এর অর্থ হলো, তাদের কাছে পর্ণোগ্রাফি ২৪ ঘণ্টাই হাতের কাছে রয়েছে। আর ওই বয়সে একবার তাতে অভ্যস্ত হয়ে গেলে, তার পুরো জীবনের ওপর সেটা প্রভাব ফেলতে বাধ্য।
প্রতিটি বাবা-মা’র উচিত হবে, এ বিষয়গুলো তার সন্তানদের ভালো করে বুঝিয়ে দেয়া এবং তরুণ বয়সী ছেলেমেয়েদের বিষয়টি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা। মনে রাখতে হবে, ‘সেক্স এডুকেশন’ আর ‘সেক্স’ এক জিনিস নয়। শিক্ষা মানুষকে সুন্দর করার জন্য। তাই ভুল কোনো ধারণায় বশবর্তী না হয়ে সঠিক শিক্ষাটি নিন, ভালো থাকুন।
Subscribe to:
Posts (Atom)
